পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পার্বত্য অঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বা ভিন্ন কোনো নেতিবাচক আঙ্গিকে না দেখার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ করে পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করার উপর জোর দিয়েছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তমন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের কথা বলেন তিনি। রাঙামাটির এক সভায় এসব মতামত জানান মন্ত্রী।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় আজ রোববার আলপালনি উৎসব উদ্যাপন করছেন চাষিরা। পাহাড়ি জুমচাষি ও হালচাষিরা প্রতিবছর ৭ আষাঢ় এই উৎসব উদ্যাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও উৎসবটি উদ্যাপিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পার্বত্য চট্টগ্রামের বন, প্রকৃতি ও পাহাড় ধ্বংস নিয়ে পরিবেশকর্মীদের উদ্বেগের মাঝেই দিবসটি পালিত হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে ফুল বিজু উৎসবে রাঙামাটি ও বান্দরবানে ভোর থেকে উচ্ছ্বাস। চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের এই উৎসব শুরু হয়েছে নদীতে ফুল ভাসিয়ে। আগামীকাল থেকে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর সাংগ্রাই, চাংক্রানসহ বিভিন্ন উৎসব শুরু হবে।
তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগ
বন সুরক্ষার জন্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সম্পদ প্রয়োজন। কিন্তু তাদের ভূমির আনুষ্ঠানিক অধিকার না থাকলে, বন সুরক্ষার বৈশ্বিক তহবিল এসব জনগোষ্ঠী পাবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি বিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন সুরক্ষার বাধা—এসবের আন্তসম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন খলিলউল্লাহ্
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।
খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।
চার দিন ধরে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।