জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট, জনবল নিয়োগ হয়নি এখনো
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় দেড় দশকের আবাসস্থল ছিল গণভবন। এখানেই তৈরি হয়েছে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় দেড় দশকের আবাসস্থল ছিল গণভবন। এখানেই তৈরি হয়েছে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাদুঘর স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারসহ সংস্কৃতিমন্ত্রী জাদুঘর পরিদর্শন করে বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন দেখেন। জাদুঘরটি আগামী জুলাই শেষে বা আগস্ট শুরুতে সাধারণ মানুষের জন্য খোলা হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে হেফাজতে ইসলাম নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এবং চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তাঁদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্রনেতারাও ছিলেন।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জাদুঘরে ‘ভারতীয় আগ্রাসনের’ চিত্র না থাকার অভিযোগ তোলেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করে সর্বজনীন করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।
জুলাই জাদুঘর চালুর দাবি জানিয়েছে জুলাই রেভোল্যুশনারী এলায়েন্স ও শহীদ পরিবারগুলো।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও বিগত সরকারের দুঃশাসনের চিত্র সংরক্ষণে নির্মিত জাদুঘরটি দ্রুতই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করবেন।
সংগঠনটি অভিযোগ করে যে ষড়যন্ত্রকারীরা শুধু জাদুঘর উদ্বোধনেই বিলম্ব করাচ্ছে না, বরং এটিকে প্রশাসনিক বা কাঠামোগতভাবে পুরোপুরি অকার্যকর করতে চাইছে।