
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ‘ডেরায়’ যুবক গুলিবিদ্ধ
রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের ‘ডেরায়’ এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের শাহমখদুম থানার ছায়ানীড় আবাসিক এলাকায় একটি পাঁচতলা বাসার ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের ‘ডেরায়’ এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের শাহমখদুম থানার ছায়ানীড় আবাসিক এলাকায় একটি পাঁচতলা বাসার ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

নরসিংদীর রায়পুরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর একজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকায় একটি পোশাক কারখানার সামনে এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকালের দিকে।

কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার এক মাসের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছিলেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াছিন খান পলাশ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গুলির শব্দের ঠিক পরপরই পাশের রেইজিং কেইন’স রেস্তোরাঁর ভেতরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের ছেলে সাহাদত হোসেন পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ। ঘটনাস্থল ছিল মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার কামারকান্দা পুলিশ বক্সের সামনে।

সূচনা বক্তব্যের পর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ভুক্তভোগী চৌগাছা থানা ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন। তিনি ওই ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।

নাটোরের লালপুর উপজেলার রাইটার চর এলাকায় আজ ভোরে দুর্বৃত্তরা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে বেপরোয়া গুলি করে তাঁকে হত্যা করে। এতে একজন মৎস্যজীবীও আহত হয়েছেন।

এডিসি জুয়েল রানা বলেন, ছিনতাইকারী ধরতে অভিযানে গেলে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও বিরোধের জেরে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে অনিক (২২) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

র্যাব জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পলাশ ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াছিন খান পলাশ একসময় পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় তিনি দণ্ডিত ছিলেন।