‘ইংরেজি ভাষা শিক্ষা’ যখন পড়ালেখার বিষয়
আমার জন্ম মানিকগঞ্জ শহরে। বড় হয়েছি একটি সাধারণ পরিবেশে, পড়াশোনা করেছি সরকারি স্কুলে।
আমার জন্ম মানিকগঞ্জ শহরে। বড় হয়েছি একটি সাধারণ পরিবেশে, পড়াশোনা করেছি সরকারি স্কুলে।
জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে ইংরেজি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্য একটাই—আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন ভাষাটি শিখতে পারে এবং তা ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।
যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকসংকটের কারণে জোড়াতালি দিয়ে চলছে পাঠদান।
যুক্তরাজ্যের জলি লার্নিংয়ের সঙ্গে অংশীদারিত্বে উইটন ও গাইডেন্স স্কুল বাংলাদেশে জলি ফনিক্স কার্যক্রম শুরু করেছে। এটি প্রাথমিক স্তরে ফনিক্সভিত্তিক ইংরেজি শিক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। অফিশিয়াল স্টোর ও প্রশিক্ষণের সুবিধা পাওয়া যাবে www.jollylearningbd.com–এ।
বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ধারায় পরিচালিত হয়ে আসছে—বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদ্রাসা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা। স্বাধীনতার পর দেশে শিক্ষার বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো পাঠ্যবইয়ের বাইরে দক্ষতায় জোর দিচ্ছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে জালিয়াতির মাধ্যমে এক ভুয়া শিক্ষার্থী ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ঘটনাটি জানাজানি হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও তদন্তে বিলম্ব নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।
বাংলা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপর মূল্যায়ন পরিচালিত হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯০ শিক্ষার্থী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।
ইংরেজি ভাষা শিক্ষা এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারের উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে ড্যাফোডিল গ্রুপের সাথে অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিলের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পরিদর্শন করেন।
ইংল্যান্ডের মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় সংস্কার। নবম শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীরা গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞানের পাশাপাশি উৎপাদনশিল্প, এআই, কোডিংয়ের মতো কারিগরি বিষয় পড়তে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামের আবেদনের জন্য ইংরেজি দক্ষতা ও দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
খুলনার কয়রা উপজেলার ১২৭ নম্বর শিমলার আইট খেজুরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপণ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দেওয়ালে ইংরেজি অক্ষরে লেখা ‘জয় বাংলা’ দীর্ঘদিনেও অপসারণ না করায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আলোচনা-সমালোচ