শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল গ্রুপ পরিদর্শন করল ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বসের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি ড্যাফোডিল গ্রুপ সফর করে। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের (লন্ডন) চিফ রেভিনিউ অফিসার রবিন ক্লার্ক, সাউথ এশিয়া অঞ্চলের ইংলিশ অ্যান্ড এক্সাম বিভাগের রিজিওনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর তালাল মিই এবং ঢাকার ইংলিশ অ্যান্ড এক্সাম বিভাগের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর তাহনী ইয়াসমিনসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ড্যাফোডিল গ্রুপের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস এবং ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বৈঠকে মো. সবুর খান বলেন, ‘ইংরেজি শুধু একটি ভাষা নয়; এটি বৈশ্বিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত করতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। এই সহযোগিতা দেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

ড্যাফোডিল গ্রুপের সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা। প্রাক-প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে স্কুল, কারিগরি শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম একই প্ল্যাটফর্মে পরিচালনার উদ্যোগটিকে তাঁরা ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেন।