
বাংলাদেশে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষে কেউ সফল, কেউ সর্বস্বান্ত হন কেন
ইউটিউবে বিভিন্ন সাফল্যের গল্প দেখে অনেক কৃষক যথাযথ চাষপদ্ধতি না জেনেই আঙুর চাষে বিনিয়োগ করেছেন। ভালো জাতের সন্ধান না পেয়ে কিংবা প্রযুক্তিগত সহায়তার অভাবে অনেকেই মাঝপথে থেমে গেছেন।

ইউটিউবে বিভিন্ন সাফল্যের গল্প দেখে অনেক কৃষক যথাযথ চাষপদ্ধতি না জেনেই আঙুর চাষে বিনিয়োগ করেছেন। ভালো জাতের সন্ধান না পেয়ে কিংবা প্রযুক্তিগত সহায়তার অভাবে অনেকেই মাঝপথে থেমে গেছেন।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই আঙুর বাগান দেখতে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ বাগানমালিকের কাছে আঙুর চাষের পদ্ধতি জানতে চাইছেন।

পাঁচজনের সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হতো তাঁকে। আঙুর চাষ তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। মাত্র ২৫ শতাংশ জমি থেকে ১০ লাখ টাকার আঙুর ও চারা বিক্রি করেছেন।

প্রকৌশলীর চাকরি ছেড়ে আঙুর চাষে নামেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাসনিপুর গ্রামের ইমাম হাসান সাগর। প্রথম বছরেই আঙুর ও চারা বিক্রি করে আয় ৩৬ লাখ টাকা।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গারহাট বাজারসংলগ্ন আজোয়াটারী গ্রামে এই আঙুরবাগান গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা হাসেম আলী ও তাঁর ভাগনে রুহুল আমীন। বাগানে রয়েছে ৪৬০টি বাইকুনুর জাতের আঙুরগাছ।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সজল আহমেদের আঙুরবাগান রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শখ থেকে শুরু করা এই আঙুর চাষ এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে ১৪ প্রজাতির আঙুর চাষ হচ্ছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক মো. মোকছেদুল ইসলামের বাড়ির পাশে ১৪ শতক জমিতে ২০ জাতের আঙুর ঝুলছে। পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানায় কাজ করে জমানো টাকায় শখের বাগান গড়ে বাণিজ্যিক চাষ শুরু করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর প্রশংসায় মুখরিত এই বাগান দেখতে ভিড় করছে স্থানীয়রা।

ইকরামের বাগানে এখন ১৫০ জাতের আঙুর

একটি চারা থেকে শুরু করে ১৫০ জাতের আঙুর চাষে এক বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁদপুরের তরুণ ইকরাম খান।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে শখের বাগানেই থোকায় থোকায় আঙুর ফলিয়েছেন উদ্যোক্তা আবুল কালাম আজাদ। বিদেশফেরত এই কৃষকের বাগান এখন সম্ভাবনার নতুন গল্প, আগ্রহ বাড়াচ্ছে স্থানীয় চাষিদের মধ্যেও।

বরই, লিচু, জামের মতো বড় বীজযুক্ত ফল তো বটেই, আপেল, আঙুর, কমলা বা ডালিমের মতো ছোট বীজযুক্ত ফল খেতে গিয়েও ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

দক্ষিণ আফ্রিকার আপেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৭০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৪০ টাকা। চীনের কমলা ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৮০ টাকা। আঙুরের দাম আরও বেশি। চীনের লাল আঙুর ৪২০ টাকা, কালো ৫৫০ টাকা ও সাদা ২৫০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি জাতেই ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মিসরের মাল্টা ২৬০ টাকা ও চীনের মাল্টা ২২৪ টাকা কেজি।