‘সিলেটবাসী ও দেশবাসীর দোয়া চাইছি। দল যে আস্থা দেখিয়েছে, এর প্রতিদান যেন দিতে পারি।’ এভাবেই আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজের প্রতিক্রিয়া মুক্তকণ্ঠকে জানালেন নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে ঠাঁই পাওয়া সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।

আজ বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য কল করা হয়েছে। খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই করে নেন।

১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের বাসা সিলেট নগরের তোপখানা এলাকায়। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশায় ব্যবসায়ী আবদুল মুক্তাদীরের সক্রিয় রাজনীতি শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে। ২০১৬ সাল থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। অতীতে তিনি কখনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

আবদুল মুক্তাদীরের বাবা খন্দকার আবদুল মালিক ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন।

যোগাযোগ করা হলে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘দল যে আস্থা দেখিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। নিজের দায়িত্ব পালনে সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় রাখব।’

এদিকে মন্ত্রিসভায় খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের ঠাঁই পাওয়ার বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। দলের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও আনুগত্যের মূল্যায়ন তিনি পেয়েছেন। এ জন্য আমরা উচ্ছ্বসিত।’