বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতের এক নেতাকে পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। তাঁর দুই পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। এ সময় তাঁর বাঁ হাত ও মাথাতেও আঘাত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী দাখিল মাদ্রাসার কাছে বয়ার খুঁটি ব্রিজের ওপর ঘটনাটি ঘটে।

আহত মাহফুজুর রহমান উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে আমির ও কাঁঠালতলী দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শাখার প্রধান। আজ বেলা তিনটার দিকে কাঁঠালতলী দাখিল মাদ্রাসার সুপার শরীফ আবদুর রহমান জানান, হামলায় মাহফুজুর রহমান গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই মাদ্রাসার সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজুর রহমান কাঁঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা থেকে বেলা ১টার দিকে বের হন এবং মোটরসাইকেলে বাড়ির পথে রওনা হন। মাদ্রাসা থেকে বয়ার খুঁটি ব্রিজে পৌঁছানোর পর তিন ব্যক্তি তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর সঙ্গে মাদ্রাসার জুনিয়র মৌলভি রফিকুল ইসলাম ছিলেন।

রফিকুল ইসলামের বরাত দিয়ে কাঁঠালতলী দাখিল মাদ্রাসার সুপার শরীফ আবদুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, মাহফুজুর রহমান বয়ার খুঁটি ব্রিজের ওপর ওঠামাত্র তিন যুবক লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে তাঁকে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেন। এরপর তাঁর দুই পায়ে বারবার আঘাত করে সেগুলো ভেঙে দেন। এ সময় তাঁর কপালের ডান অংশে ও বাঁ হাতেও আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয় মানুষেরা তাঁকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছেন।

পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, মাহফুজুর রহমানের দুই পায়ে মারাত্মক জখম হয়েছে। এ ছাড়া কপালেও আঘাত লেগেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে (জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান) নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’