কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে চারজন শিক্ষক মিলেও সেই শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

কলেজটির সাবেক শিক্ষক হানিফ বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে চারজন শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি। এটা কেমন কথা? কলেজ শাখার কার্যক্রমসহ শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জোছনা আক্তার বলেন, এলাকার মানুষের চাপে পড়ে একজন শিক্ষার্থীকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ কথা বলার পর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।