আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল এবং মোবাইলের বিনামূল্যে সার্ভিসিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এই খবরের কথা জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘এ যাবৎ ২৮০০+ মোবাইল এবং ৫০০+ মোটরসাইকেল ফ্রি সার্ভিসিং করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। আপনিও নিতে পারেন আমাদের সেবা।’
তবে এই বিশেষ সেবাটি কীভাবে গ্রহণ করা যাবে বা এর জন্য কী কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেননি শায়খ আহমাদুল্লাহ।
অন্যদিকে, মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আগামী ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বিআরটিএ চেয়ারম্যানের প্রেরিত একটি বিবেচ্যপত্রে এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বিবেচ্যপত্রের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশ বা প্রায় ৫০ লাখই হলো মোটরসাইকেল। এত বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেলের সামনে খুব অল্প সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট লাগানো প্রায় অসম্ভব একটি কাজ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালক ও মালিকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও নানা ধরনের মতামত সামনে এসেছে। এসব বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সময়সীমা বাড়ানোর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিআরটিএ একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছিল যে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট যুক্ত করে প্রদর্শন করতে হবে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী, বাইকের পেছনে ইতিপূর্বেই আরএফআইডি সংবলিত উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেকটিভ ধাতব প্লেটে নম্বর প্রদর্শনের নিয়ম চালু রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এখন বাইকের সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিআরটিএ-র নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হতে হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার হতে হবে। উভয় ধরনের প্লেটের ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে। এছাড়া নম্বরপ্লেটটি অবশ্যই স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি হতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর কালো রঙে বাংলা হরফ ও সংখ্যা লিখতে হবে। এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত নকশা বা শোভাবর্ধক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ব্যতীত সাধারণ বাইকের ক্ষেত্রে নম্বরটি সোজাসুজি এক লাইনে বসানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।