পাঠ্যবই প্রণয়ন ও বিষয়বস্তু নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বোর্ডের নয়জন কর্মকর্তাকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক দাপ্তরিক আদেশে এই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বদলি করা কর্মকর্তাদের এনসিটিবি থেকে সরিয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজ এবং টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা অবমুক্ত না হন, তবে ওই তারিখের অপরাহ্ণে তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বদলি করা কর্মকর্তাদের তালিকায় রয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হক ভূঞা, যাকে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে পাঠানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মো. হুমায়ুন কবিরকে বদলি করা হয়েছে শরীয়তপুরের সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজে। এছাড়া বিশেষজ্ঞ আহসানুল আরেফিন চৌধুরীকে যশোরের সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে এবং বিশেষজ্ঞ মো. আবু হানিফকে রংপুরের টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে, মনির হোসেন মজুমদারকে শরীয়তপুরের সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজে, মাহমুদ বিন আমিনকে ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজে, আফসানা আইয়ুবকে শরীয়তপুরের সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজে এবং এম এম আসাদুজ্জামানকে লালমনিরহাট সরকারি কলেজে বদলি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর ঠিক একদিন আগে রোববার (২৫ অক্টোবর) পাঠ্যবইয়ের তথাকথিত ‘দাঁড়িপাল্লাকাণ্ডে’ এনসিটিবির আরেক কর্মকর্তা মু. আবদুল্লাহ আল যোবায়েরকে খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজে বদলি করা হয়েছিল।