১. ‘দ্য বয়েজ প্রেজেন্টস: ডায়াবলিক্যাল’ এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দ্য বয়েজ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিরিজ ‘দ্য বয়েজ প্রেজেন্টস: ডায়াবলিক্যাল।’ এটি ইউনিভার্সভিত্তিক একটি অ্যানিমেটেড অ্যান্থলজি সিরিজ, যেখানে প্রতিটি পর্বের নির্মাণের স্টাইল আলাদা। অ্যানিমেশন এই সিরিজে সহিংস ও ব্যঙ্গাত্মক গল্প বলা হয়েছে। এই সিরিজে সুপারহিরোদের অন্ধকার, নিষ্ঠুর ও বিকৃত দিক তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ক্ষমতা নৈতিকতার ঊর্ধ্বে উঠে যায়। যে কারণে প্রতিটি পর্বই থাকে উত্তেজনায় ভরা। এটি অ্যামাজন প্রাইমে দেখা যাচ্ছে।

২. ‘ইনসাইড নম্বর ৯’এ সিরিজটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। আইএমডিবি রেটিং ৮.৫। এই ব্রিটিশ অ্যান্থলজি সিরিজে প্রতিটি পর্বে আলাদা গল্প বলা হয়। ডার্ক কমেডি, সাসপেন্স ও টুইস্টে ভরপুর এই সিরিজে মানুষের অন্ধকার মনস্তত্ত্ব, লোভ ও অপ্রত্যাশিত পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। রহস্যময় ‘৯’ সংখ্যাকে নিয়েই এই সিরিজের গল্প এগিয়ে যায়। এটা বিবিসিতে দেখা যাবে।

৩. ‘আলফ্রেড হিচকক প্রেজেন্টস’১৯৫৫ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তুমুল আলোচনা তৈরি করেছিল এই টিভি সিরিজ। এটি এখনো প্রাসঙ্গিক। আইএমডিবি রেটিং ৮.৫। এটি ক্ল্যাসিক অ্যান্থলজি টিভি সিরিজ, যেখানে প্রতিটি পর্বে রহস্য, সাসপেন্স ও ডার্ক টুইস্টে ভরা। স্বয়ং আলফ্রেড হিচকক তাঁর অনন্য উপস্থাপনা ও ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে দর্শককে আলাদা এক জগতে নিয়ে যেতেন। এটা সিবিএসে দেখা যাচ্ছে।

৪. ‘ইজি’এই তালিকায় ৪ নম্বরে রয়েছে নেটফ্লিক্সের অ্যান্থলজি সিরিজ ‘ইজি’। নেটফ্লিক্সের একটি অ্যান্থলজি টিভি সিরিজে উঠে এসেছে শিকাগো শহরের মানুষের সম্পর্ক, প্রেম, যৌনতা ও আধুনিক জীবনের জটিলতার গল্প। প্রতিটি পর্বে আলাদা চরিত্র ও গল্প থাকলেও সবকিছুই সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়। ২০১৬ সাল থেকে তিন বছর পর্যন্ত এটি প্রচার হয়।

৫. ‘হ্যামার হাউস অব হরর’লোককথার গল্প নিয়েই এগিয়ে চলে এই টিভি সিরিজের পটভূমি। ব্রিটিশ এই অ্যান্থলজি সিরিজ ১৯৮০ সালে প্রচার হয়। সেই সময় তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সিরিজের প্রতিটি পর্ব আলাদা ভৌতিক গল্প দিয়ে সাজানো। এর মধ্য দিয়ে ডার্ক থিমে ভরপুর, অলৌকিক আতঙ্ক ও মনস্তাত্ত্বিক ভয় তৈরি হয়। প্রাইম ভিডিওর এই সিরিজের আইএমডিবি রেটিং ৭.৪।

৬. ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’এইচবিওর আলোচিত সিরিজ ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’ এই তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছে। এটি স্যাটায়ারধর্মী অ্যান্থলজি ড্রামা সিরিজ। এই সিরিজে বিলাসবহুল রিসোর্টে বেড়াতে আসা ধনী অতিথিদের জীবন, সম্পর্ক ও ভণ্ডামি ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়। প্রতিটি পর্বে নতুন লোকেশন ও নতুন গল্পের মাধ্যমে ক্ষমতা, শ্রেণি ও মানবিক অন্ধকার দিক উঠে আসে। ৮ রেটিংয়ের এই সিরিজ ২০২১ সাল থেকে নিয়মিত প্রচার হচ্ছে।

৭. ‘দ্য টোয়াইলাইট জোন’এই টিভি সিরিজের আইএমডিবি রেটিং ৯। এটি প্রচার হয় ১৯৫৯ সালে। সেই সময় বডি হরর এই সাইকোলজিক্যাল সিরিজ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। ক্ল্যাসিক্যাল এই সিরিজ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়। সিরিজের প্রতিটি পর্বে সায়েন্স ফিকশন, ফ্যান্টাসি, রহস্য ও সাসপেন্সের মিশ্রণে মানুষ, সমাজ ও নৈতিকতার অন্ধকার দিকগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন আবহে তুলে ধরা হয়। এটি টুবি টিভিতে দেখা যাবে।

এসব সিরিজের প্রতিটি পর্বকে ১০/১০ দেওয়ার প্রসঙ্গে স্ক্রিন র‍্যান্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নিখুঁত গল্প বলার ধরন, অভিনয়ের গভীরতা ও নির্মাণশৈলীর কারণে অ্যান্থলজি এই সিরিজগুলো দর্শকেরা বারবার দেখতেন। যার প্রতিটি পর্বেই ছিল নতুনত্ব ও বৈচিত্র্যে ভরপুর। যে কারণে অ্যান্থলজি সিরিজ হিসেবে প্রতি পর্বই মাস্টারপিস।’