জাতীয় দলের জার্সি গাওয়ার স্বপ্ন দেখাই এই তরুণ ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ব্লাড ক্যানসারের মতো প্রাণঘাতী রোগের কাছে হেরে গেলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেট দলের পেসার মেহেদী হাসান হৃদয়। আজ দুপুর ১২টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন ১৮ বছর বয়সী এই উদীয়মান ক্রিকেটার। হৃদয়ের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর মামা মাপেল হোসেন।

কয়েক মাস আগে হঠাৎ করেই হৃদয়ের জীবনে নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। ধরা পড়ে ব্লাড ক্যানসার। তবে এই কঠিন লড়াইয়ে তিনি একা ছিলেন না। মুক্তকণ্ঠয় ক্যানসারে আক্রান্ত হৃদয়কে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাঁদের সহযোগিতায় হৃদয়ের চিকিৎসা কার্যক্রম সুচারুভাবে শুরু হয়। তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটেছিল এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। তবে চতুর্থ কেমো দেওয়ার পর আবারও শরীর খারাপ হতে শুরু করে।

ফেনীর বিসিবি কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম জানান, শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় পূজার ছুটির সময়ে হৃদয়কে তাঁর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ সকালে হঠাৎ করে তাঁর শরীর মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে পড়ে। দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে পুনরায় ঢাকায় নিয়ে আসার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আজ বাদ এশার নামাজের পর ফেনীতে হৃদয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।