পবিত্র আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ খালেদ আবু জুমআকে জুমার নামাজ ও খুতবা শেষে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হাতে আটক করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ব্যক্ত করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দলের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, “আল-আকসা মসজিদের খতিবকে নামাজ ও খুতবা শেষে আটক করা শুধু একজন ধর্মীয় ব্যক্তির ওপর নিপীড়ন নয়, বরং মুসলমানদের পবিত্র স্থান ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।”

আল-আকসা মসজিদ মুসলিম উম্মাহর অন্যতম পবিত্রতম স্থান হিসেবে অভিহিত করে জমিয়ত নেতারা বলেন, সেখানে ইবাদত-বন্দেগি এবং ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আলেম ও খতিবদের হয়রানি ও আটক করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাদের মতে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর এই ধরনের কর্মকাণ্ড ফিলিস্তিনিদের ধর্মীয় অধিকার এবং মৌলিক মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জমিয়ত নেতারা অবিলম্বে শেখ খালেদ আবু জুমআকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার জোরালো দাবি জানান। একই সঙ্গে আল-আকসা মসজিদে মুসলমানদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়, খুতবা প্রদান এবং যাবতীয় ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

আল-আকসাকে কেন্দ্র করে সব ধরনের দখলদারিত্ব, উসকানি, নিপীড়ন ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, “ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আল-আকসা মসজিদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।”

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জমিয়ত নেতারা বলেন, “ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর ধারাবাহিক নিপীড়ন ও ধর্মীয় অধিকার হরণের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় ভূমিকা পালন করতে হবে।”