বোমায় বিধ্বস্ত একটি স্কুলের বয়লারের নিচে আটকা পড়েছিলেন ইউক্রেনীয় সেনা সদস্য কোস্তিয়ান্তিন। সেই চরম সংকটের মুহূর্তে তাঁকে এক ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তিনি উপলব্ধি করেন যে, জীবন বাঁচাতে হলে তাঁর শরীরের অবশিষ্ট পা-টিও কেটে ফেলতে হবে। জীবনযুদ্ধের এক চরম লড়াইয়ে তিনি নিজেই নিজের পা কাটার সিদ্ধান্ত নেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রুশ ড্রোনের ভয়াবহ হামলায় কোস্তিয়ান্তিন তাঁর বাঁ পা হারিয়েছিলেন। একই হামলায় তাঁর ডান পা-টিও মারাত্মকভাবে ভেঙে গিয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় তিন মাস পর, যখন পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে, তখন তিনি এই পা-টি কেটে ফেলতে বাধ্য হন। নিজের জীবন বাঁচাতে নেওয়া এই দুঃসাহসিক পদক্ষেপের মাধ্যমেই তিনি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসতে সক্ষম হন। ড্রোনের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত সেই মৃত্যুপুরী থেকে তিনি যেভাবে ফিরে এসেছেন, তা এক অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের গল্প।