বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে, তবে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অসংখ্য প্রশ্ন। কোন দেশ বেছে নেওয়া হবে? কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন কোর্সে ভর্তি হওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হবে? আইইএলটিএস (IELTS) বা পিটিই (PTE)-তে কত স্কোর প্রয়োজন? বাজেটের পরিমাণ কেমন হতে পারে? কোনো স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না কিংবা ভিসা প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে কি না—এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক দিশেহারা হয়ে পড়েন।

শিক্ষার্থীদের এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সঠিক পথ দেখাতে কাজ করে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সিমাস একাডেমি লিমিটেড। আন্তর্জাতিক মানের ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং এবং পিটিই এক্সাম রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রতিটি ধাপে সঠিক তথ্য ও প্রফেশনাল গাইডলাইন প্রদান করে প্রতিষ্ঠান দুটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত এই প্রতিষ্ঠানটি এএসআইসি, কিউইএসি ও আইসানা সনদপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে বাংলাদেশেও তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

দীর্ঘ ১৪ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে। এছাড়া ইউরোপের সুইডেন, মাল্টা, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, নরওয়ে, গ্রিস, সাইপ্রাস, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডও তাদের গন্তব্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বের ১০০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট পার্টনারশিপ রয়েছে তাদের। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৭৫টির বেশি স্টুডেন্ট ভিসা সাকসেস হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি স্টুডেন্ট প্লেসমেন্ট করতে সক্ষম হয়েছে ম্যাক্সিমাস। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশ্বসেরা দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গন্তব্য।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কিছু মৌলিক প্রশ্নের ওপর গুরুত্ব দেয়। তাদের মতে, “বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রথমেই ভেবে দেখতে হবে, পাঁচ-দশ বছর পর আমি নিজেকে কোথায় দেখতে চাই? সেখানে পৌঁছাতে আমার কোন কোর্সে এনরোল করা প্রয়োজন? আমার একাডেমিক যোগ্যতা কি সেই কোর্সের রিকোয়ারমেন্টের সঙ্গে ম্যাচ করে? আর বাজেট কি এফোর্ডেবল?” এই প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর পাওয়া গেলে উচ্চশিক্ষার বাকি পথটি অনেক সহজ হয়ে যায়।

ম্যাক্সিমাস ঠিক এই জায়গাতেই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায়। উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরামর্শ থেকে শুরু করে উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স নির্বাচন, স্কলারশিপ এবং অ্যাডমিশন রিকোয়ারমেন্ট বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা প্রদান করে প্রো-লেভেলের কাউন্সেলিং। তাদের মূল লক্ষ্য হলো, প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার প্রয়োজন এবং সামর্থ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি স্টাডি ডেস্টিনেশন খুঁজে পায়।

শিক্ষা ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তিসংক্রান্ত পরামর্শ, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রেনিং, ভিসা সহায়তা এবং কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে থাকার ব্যবস্থা ও পার্টটাইম জব পেতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা—সবই পাওয়া যায় এখানে এক ধারাবাহিকতায়। একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক যোগ্যতা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, প্রাসঙ্গিক বিষয় এবং আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে তার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পথটি খুঁজে বের করাই এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্ট (এমএআরএন ১৭৯৩০০৪), যা অস্ট্রেলীয় সরকার নিযুক্ত মাইগ্রেশন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অথরিটির তদারকিতে পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠান দুটির সামগ্রিক পরিচালনায় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শেখ ইকবাল বিন জাহেদ।

বিদেশে যাওয়ার আগে ভাষাগত দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে কাজ করছে ম্যাক্সিমাস একাডেমি। “লার্ন, গ্রো অ্যান্ড সাকসিড” দর্শনে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে আইইএলটিএস–পিটিইর প্রস্তুতি, কোরিয়ান ও জাপানি ভাষার কোর্সসহ বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স করানো হয়। শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী—উভয় শ্রেণির কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন সময়ের ব্যাচ সাজানো হয়েছে, যেখানে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই শেখার সুযোগ রয়েছে।

এখানকার পাঠদান পদ্ধতি কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং ল্যাবভিত্তিক ও হাতে-কলমে শেখানো হয় সার্টিফাইড ইনস্ট্রাক্টরদের তত্ত্বাবধানে। আধুনিক কম্পিউটার-ডেলিভারড ল্যাব ও ক্লাসরুমে মক টেস্ট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব পরীক্ষার পরিবেশের সাথে পরিচিত করে। সময় ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়। তাদের লক্ষ্য শুধু ভাষা শেখানো নয়, বরং আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গন ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শিক্ষার্থীদের পুরোপুরি প্রস্তুত করা।

নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও গন্তব্যের সঙ্গে স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট পার্টনারশিপ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের পরিধিও বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠান দুটি। তাদের বিশ্বাস, বিদেশে উচ্চশিক্ষা মানে কেবল একটি ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং এটি নতুন পরিবেশে নিজেকে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের প্রস্তুতির এক অনন্য সুযোগ। “গাইডেন্স, অপরচুনিটিজ, সাকসেস”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে সঠিক তথ্য, উপযুক্ত দিকনির্দেশনা ও সমন্বিত সেবা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যোগাযোগের ঠিকানা:
অস্ট্রেলিয়া: ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন (প্রধান কার্যালয়), স্যুট–৫১৫, লেভেল–৫, ৩৪৩ লিটল কলিন্স স্ট্রিট, মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া–৩০০০, অস্ট্রেলিয়া। ফোন: +৬১ ৪০২ ২৪৭ ১৩১ ই–মেইল: [email protected]
বনানী, ঢাকা শাখা: ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন বাংলাদেশ, লেভেল–৪, বাড়ি–৫৪, ব্লক–এফ, রোড–১১, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন: +৮৮ ০১৩২৮ ৯৮১ ৩৩৩ ওয়েবসাইট: maximuseducation.com.au ফেসবুক পেজ: MaximusEducationBD
উত্তরা, ঢাকা শাখা: ম্যাক্সিমাস একাডেমি লিমিটেড, বাড়ি–৩৩, লেভেল–৪, স্যুট–৪এ, শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ, সেক্টর-১২, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ফোন: ০১৩২১-২০৩১৪০ ফেসবুক পেজ: facebook.com/maximusacademybd ওয়েবসাইট: maximusacademy.com.au