বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এই অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়েছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে ঘুমধুম বিওপি এবং রোববার ভোরে বাইশফাঁড়ী বিওপির টহলদল পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করে। আটককৃত দুই ব্যক্তির নাম মো. ইসলাম (২৫) ও মো. মুজিবুল্লাহ (২৩)। তারা উভয়েই এফডিএমএন ক্যাম্প-৮-এর বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
বিজিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক টহলদল সীমান্ত পিলার-৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়। সেই সময় ১০ হাজার বার্মিজ ইয়াবাসহ মো. ইসলাম ও মো. মুজিবুল্লাহকে আটক করা হয়। আটক ইসলাম এফডিএমএন ক্যাম্প-৮-এর ব্লক বি/৮১-এর বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম মো. হোসেন। অন্যদিকে, মুজিবুল্লাহ একই ক্যাম্পের ব্লক বি/৭৪-এর বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম মো. জলিল।
এর পাশাপাশি, রোববার ভোর ৪টার দিকে বাইশফাঁড়ী বিওপির বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩৫ থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ১ লাখ ৯০ হাজার বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবিজিএম, পিএসসি জানান, "আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় মামলা দায়ের করে তা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।"
সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।