আফগানিস্তানের সাথে একমাত্র টেস্ট ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। উইকেটের শুষ্ক প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে এবং স্পিনারদের জন্য অনুকূল পরিবেশের সম্ভাবনা মাথায় রেখে তিন স্পিনার ও দুই পেসার নিয়ে চূড়ান্ত একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ সামলাবেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম এবং নাঈম হাসান। পেস বোলিংয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন। উল্লেখ্য, প্রাথমিক দলে রিজার্ভ হিসেবে থাকা নাঈম হাসান মূল একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন।
টসের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘আমি আগে ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম। উইকেট বেশ শুষ্ক মনে হচ্ছে। এখানে প্রচণ্ড গরম। আমার মনে হয়, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা আরও কঠিন হবে।’
বাংলাদেশ অধিনায়কের বিশ্বাস, ম্যাচের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন থেকে উইকেটে বল আরও বেশি ঘুরতে পারে এবং পিচ আরও ধীরগতির হয়ে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তিনি শুরুতেই একটি বড় সংগ্রহ গড়তে আগ্রহী।
আফগানিস্তানের শক্তিশালী স্পিন আক্রমণ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘ওদের দলে বেশ কয়েকজন ভালো স্পিনার আছে। দেশে এবং এখানকার কন্ডিশনেও আমরা সেভাবেই অনুশীলন করেছি। আমাদের দলেও ভালো স্পিনার আছে। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট।’
অন্যদিকে, আফগানিস্তানের অধিনায়ক রহমত শাহ বাংলাদেশের শক্তির প্রশংসা করলেও নিজেদের সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন। সুশৃঙ্খল বোলিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখাই এখন তার মূল লক্ষ্য।
এর আগে টেস্ট ফরম্যাটে দুইবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আফগানরা বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল। তবে চার বছর পর মিরপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বড় জয় পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও এবাদত হোসেন।
আফগানিস্তান একাদশ: আবদুল মালিক, সেদিকুল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলীখিল (উইকেটকিপার), জিয়াউর রহমান আকবর, শহীদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সফি ও ইসমত আলম।