আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ফলে প্রায় প্রতিদিনই স্বর্ণের মূল্যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেশের বাজারে নির্ধারিত নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এই মূল্যবান ধাতু।
সর্বশেষ মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। উল্লেখ্য, এই নতুন দর সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এর আগে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।
পাশাপাশি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা করা হয়েছে, যার পূর্ববর্তী দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও নির্ধারিত করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩৭০ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা।
এছাড়া ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ২৩০ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ভেদে আলাদা মজুরি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত করা হয়েছে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।