দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।
গত সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে দেশব্যাপী এই নতুন দর কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুস তাদের এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম ১৯ হাজার ৬৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসেবে গণনা করলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা হয়।
অন্যদিকে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ক্ষেত্রে প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এই মানের স্বর্ণের প্রতি গ্রামের মূল্য ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা।
১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম ১৬ হাজার ১১০ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি ভরির দাম দাঁড়ায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা।
এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম ১৩ হাজার ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।
স্বর্ণের দাম কমানোর এই ঘোষণা আসলেও রূপার মূল্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩৭০ টাকা।
২১ ক্যারেট রূপার প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা। ১৮ ক্যারেট রূপার প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রূপার প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ২৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, অলংকারের নকশার ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে মজুরি নির্ধারিত হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয় মূল্যের সাথে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
পাশাপাশি, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ মূল্য বাদ দিতে হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত দেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।