আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় প্রতিদিনই স্বর্ণের মূল্যের পরিবর্তন ঘটছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে নির্ধারিত নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে এই মূল্যবান ধাতু।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে। উল্লেখ্য, এর ঠিক আগের দিন মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) একই মানের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল।
বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও নির্ধারিত করা হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা করা হয়েছে।
বাজুস থেকে জানানো হয়েছে যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত দেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য তালিকা কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা ও কারুকাজের ওপর ভিত্তি করে আলাদা মজুরি প্রযোজ্য হবে।
কর্তৃপক্ষ আরও স্পষ্ট করেছে যে, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সাথে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার বদল এবং পুরোনো অলংকার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্ববর্তী নিয়মগুলোই বহাল থাকবে।