ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে জমে উঠেছে নির্বাচনি প্রচার এবং ভোটের মাঠ। আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত এই প্রচার কার্যক্রম চলবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ এবং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বিভিন্ন দলের প্রতিনিধি এবং প্রার্থীদের মুখপাত্রদের উপস্থিতিতে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। এই অনুষ্ঠানে সংবাদকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

প্রতীক বরাদ্দ অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. আবদুল আলীম নিজামী পেয়েছেন বটগাছ প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক পেয়েছেন ডাব প্রতীক।

প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, “অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবারের উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাবেন।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনে পুলিশ সদস্যের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তাই সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবেন এমন প্রত্যাশা রয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে।”

প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে না জড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।