১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নাটকীয় মোড় আসে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিশংসন তদন্ত শুরু হয়। হোয়াইট হাউসের এক ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত। যদিও প্রতিনিধি পরিষদে তিনি অভিশংসিত হন, তবে ১৯৯৯ সালে সিনেটের বিচারে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি চূড়ান্তভাবে খালাস পান এবং নিজের কার্যকাল পূর্ণ করেন। মার্কিন রাজনীতির এই আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে আজকের বিশেষ আয়োজন।

সেদিন মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ছিল চরম উত্তেজনা। আলোচনা চলছিল এমন এক প্রেসিডেন্টকে নিয়ে, যিনি দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরেছিলেন মাত্র দুই বছরের কিছু কম সময় আগে। দেশের অর্থনীতি তখন স্থিতিশীল এবং জনমত জরিপেও তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তবে ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিতর্কিত ঘটনা তাঁকে এমন এক সংকটে ফেলেছিল, যেখানে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টই পৌঁছাতে চান না।

১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর প্রতিনিধি পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হয়, যার মাধ্যমে বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিশংসন তদন্তের পথ প্রশস্ত হয়। রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি পরিষদে এই রেজোল্যুশনটি ২৫৮–১৭৬ ভোটে অনুমোদিত হয়। এতে রিপাবলিকানদের পাশাপাশি ৩১ জন ডেমোক্র্যাট সদস্যও তদন্তের পক্ষে ভোট দেন। প্রতিনিধি পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল—প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনকে অভিশংসন করার মতো যথেষ্ট সাংবিধানিক ভিত্তি আছে কি না, তা বিচার বিভাগীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গভাবে খতিয়ে দেখবে। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ অভিশংসন অনুসন্ধান শুরু হলো। সে সময় দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের শিরোনাম ছিল ‘অভিশংসন তদন্ত অনুমোদিত’।

এই পুরো রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েনের কেন্দ্রে ছিলেন হোয়াইট হাউসের সাবেক ইন্টার্ন মনিকা লিউনস্কি। ঘটনার শুরু হয়েছিল একটি গোপন সম্পর্ক দিয়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা রূপ নেয় এই প্রশ্নে যে—প্রেসিডেন্ট সত্য বলার শপথ নিয়ে মিথ্যা বলেছেন কি না। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, বিল ক্লিনটন কি বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং সেই আচরণ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে পদচ্যুত করার জন্য যথেষ্ট কি না।

তদন্তে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের জুনে ২১ বছর বয়সী মনিকা লিউনস্কি হোয়াইট হাউসে অবৈতনিক ইন্টার্ন হিসেবে কাজ শুরু করেন। ওই বছরের নভেম্বরেই প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৯৯৬ সালে মনিকাকে পেন্টাগনে বদলি করা হলে সেখানে তাঁর পরিচয় হয় সরকারি কর্মচারী লিন্ডা ট্রিপের সঙ্গে। তাঁদের বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে মনিকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্কের কথা লিন্ডাকে জানান। লিন্ডা ট্রিপ গোপনে তাঁদের ফোনালাপ রেকর্ড করতে শুরু করেন, যেখানে মনিকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।

ঘটনাটি আরও জটিল হয়ে ওঠে পলা জোনসের করা একটি যৌন হয়রানির মামলার কারণে। আরকানসাসের সাবেক সরকারি কর্মচারী পলা জোনস অভিযোগ করেছিলেন যে, ১৯৯১ সালের মে মাসে আরকানসাসের গভর্নর থাকাকালীন ক্লিনটন তাঁকে যৌন হয়রানি করেছিলেন। ওই মামলার আইনজীবীরা ক্লিনটনের অন্য নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে মনিকার নাম পান। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জোনসের আইনজীবীরা মনিকাকে আদালতের মাধ্যমে তলব করেন। ১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে মনিকা একটি হলফনামায় ক্লিনটনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। একই দিনে ১৭ জানুয়ারি সত্য বলার শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ক্লিনটনও মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের এই বিষয়টি তখন আইনি লড়াইয়ে পরিণত হয়। লিন্ডা ট্রিপের রেকর্ড করা কথোপকথনই পুরো কেলেঙ্কারিটিকে নতুন মোড় দেয়। ১৯৯৮ সালের ১২ জানুয়ারি লিন্ডা ট্রিপ স্বাধীন কৌঁসুলি কেনেথ স্টারের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। স্টার তখন হোয়াইটওয়াটারসহ ক্লিনটন-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয় নিয়ে তদন্ত করছিলেন। ট্রিপের তথ্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, মনিকাকে সত্য গোপন করতে উৎসাহিত করা হয়ে থাকতে পারে। ১৩ জানুয়ারি এফবিআইয়ের সহযোগিতায় লিন্ডা শরীরে রেকর্ডিং যন্ত্র নিয়ে মনিকার সঙ্গে দেখা করেন। ১৬ জানুয়ারি স্টারের তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়, যাতে তিনি মনিকাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে প্ররোচিত করা হয়েছে কি না এবং কোনো ফেডারেল আইন ভঙ্গ করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে পারেন।

সংবাদমাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে হইচই শুরু হয়। ২৬ জানুয়ারি জনসমক্ষে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন দৃঢ়ভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর সেই বক্তব্য মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুল উদ্ধৃত হয়ে থাকে। তিনি বলেছিলেন, মনিকার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছিল না এবং তিনি কাউকে মিথ্যা বলতে বলেননি। তবে কেনেথ স্টারের তদন্ত চলতেই থাকে। মনিকার চাকরি পাওয়ার চেষ্টা, ব্যক্তিগত সচিব বেটি কারির ভূমিকা এবং পলা জোনস মামলায় সাক্ষ্য প্রভাবিত করার চেষ্টার মতো বিষয়গুলো তদন্তকারীদের সামনে আসে।

জুলাইয়ের শেষে মনিকা কৌঁসুলি স্টারের দপ্তরের সঙ্গে দায়মুক্তি ও সহযোগিতার চুক্তি করেন এবং ৬ আগস্ট গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেন। এই পর্যায়ে ক্লিনটনের আগের অস্বীকারগুলো বড় আইনি সমস্যায় পরিণত হয়। লিন্ডা ট্রিপের সঙ্গে ফোনালাপে মনিকা একটি গাঢ় নীল রঙের পোশাকের কথা বলেছিলেন, যাতে দাগ লেগেছিল। তদন্তকারীরা পোশাকটি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ডিএনএ পরীক্ষা করেন এবং ক্লিনটনের রক্তের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। পরীক্ষার ফল ক্লিনটনের সঙ্গে মনিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথাকে জোরালোভাবে প্রমাণ করে।

১৭ আগস্ট ক্লিনটন নিজে গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেন। সেই রাতে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেখানে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে তাঁর ‘অনুপযুক্ত’ সম্পর্ক ছিল। তিনি বক্তব্যে ‘অনুপযুক্ত’ শব্দটি ব্যবহার করেন। ক্লিনটন বিষয়টিকে নিজের বিচারবুদ্ধির গুরুতর ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তিনি দাবি করেন, জানুয়ারিতে দেওয়া তাঁর বক্তব্য আইনগত সংজ্ঞা অনুযায়ী মিথ্যা ছিল না।

১৯৯৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কেনেথ স্টার তাঁর তদন্ত প্রতিবেদন ও সহায়ক নথি প্রতিনিধি পরিষদের কাছে পাঠান। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের আচরণ অভিশংসনের সম্ভাব্য ভিত্তি তৈরি করেছে। সেখানে সত্য বলার শপথ নিয়ে মিথ্যা বলা, গ্র্যান্ড জুরির সামনে মিথ্যা বক্তব্য, বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। প্রতিবেদনটি জনসমক্ষে প্রকাশের পর মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে যৌন সম্পর্কের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়, যা মার্কিন রাজনীতিতে এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করে।

কংগ্রেসের সামনে তখন দুটি প্রধান প্রশ্ন ছিল: প্রথমত, একজন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ও নৈতিক স্খলন কি তাঁকে অভিশংসনের জন্য যথেষ্ট কারণ হতে পারে? দ্বিতীয়ত, আদালতে বা গ্র্যান্ড জুরির সামনে মিথ্যা বলা কি সংবিধানের ‘গুরুতর অপরাধ ও অসদাচরণ’–এর পর্যায়ে পড়ে? এই বিতর্কের মাঝেই ৫ অক্টোবর প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিভাগীয় কমিটি ২১–১৬ ভোটে পূর্ণাঙ্গ অভিশংসন অনুসন্ধান শুরুর সুপারিশ করে। প্রতিনিধি পরিষদ ‘হাউস রেজোল্যুশন ৫৮১’ অনুমোদন দিয়ে বিচার বিভাগীয় কমিটিকে তদন্তের ক্ষমতা দেয়। প্রস্তাবটি ২৫৮–১৭৬ ভোটে পাস হয়, যেখানে ৩১ জন ডেমোক্র্যাটও সমর্থন জানান।

তদন্তের পরিধি নিয়ে দুই দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় কমিটি ব্যাপক ক্ষমতা পায়। এর ফলে ক্লিনটন-মনিকার ঘটনাটি রাজনৈতিক বিতর্কের পর সরাসরি কংগ্রেসের অভিশংসন প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে যায়। যদিও সে সময় জনমতের বড় অংশ প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনকে সরিয়ে দেওয়ার বিপক্ষে ছিল। ৭ অক্টোবর প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বরে করা জাতীয় জরিপে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ ক্লিনটনের অভিশংসন ও অপসারণের বিরুদ্ধে ছিলেন।

ঘটনার শুরু থেকেই ফার্স্ট লেডি হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ২৭ জানুয়ারি এনবিসির এক সাক্ষাৎকারে হিলারি অভিযোগগুলোর পেছনে একটি ‘ব্যাপক ডানপন্থী ষড়যন্ত্রের’ কথা বলেছিলেন এবং বিশ্বাস করেছিলেন যে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ধোপে টিকবে না। তবে ১৭ আগস্ট বিল ক্লিনটন যখন স্বীকার করেন যে তাঁর সম্পর্কটি ‘অনুপযুক্ত’ ছিল এবং তিনি স্ত্রীসহ অন্যদের বিভ্রান্ত করেছিলেন, তখন হিলারির অবস্থান নতুন আলোচনায় আসে। এত কিছুর পরেও হিলারি প্রকাশ্যে স্বামীর পাশেই ছিলেন এবং ফার্স্ট লেডির দায়িত্ব পালন করে যান, যদিও ব্যক্তিগতভাবে তাঁদের দাম্পত্যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।

এই ঘটনাটি ১৯৯৮ সালের সবচেয়ে আলোচিত সংবাদ ছিল। সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিদিন তদন্ত, গ্র্যান্ড জুরির সাক্ষ্য এবং কংগ্রেসের পদক্ষেপ নিয়ে খবর প্রকাশ করত। স্টারের ৪৫৩ পাতার প্রতিবেদনে যৌন সম্পর্কের বিস্তারিত বর্ণনা থাকায় সংবাদপত্রগুলোকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল কতটুকু ছাপা হবে। অনেক সংবাদপত্রই প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। সংবাদ প্রতিবেদনে বারবার রিচার্ড নিক্সনের ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে এর তুলনা করা হয়। তবে সব প্রতিবেদন ক্লিনটনবিরোধী ছিল না; অনেকে কেনেথ স্টারের তদন্ত পদ্ধতি এবং তথ্য ফাঁসের অভিযোগ তুলেছিলেন। ডিসেম্বরে পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপে ৬৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানান, সংবাদমাধ্যম এই বিষয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ দিচ্ছে।

১৯ ডিসেম্বর ১৯৯৮ প্রতিনিধি পরিষদে বিল ক্লিনটন সত্যি সত্যিই অভিশংসিত হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি অনুচ্ছেদ অনুমোদন করা হয়: প্রথমটি ছিল ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে শপথ নিয়ে মিথ্যা বলা এবং দ্বিতীয়টি ছিল বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া। তবে পদচ্যুতির জন্য সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন ছিল। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারিতে সিনেটে বিচার শুরু হয় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটে কোনো অভিযোগেই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় ক্লিনটন খালাস পান এবং মেয়াদ শেষ করেন।

ক্লিনটনের এই সংকটের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য ছিল যে, তাঁর ব্যক্তিগত আচরণে মানুষের অসন্তোষ থাকলেও অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক তাঁকে পদচ্যুত করার পক্ষে ছিলেন না। সেপ্টেম্বরের জরিপে দেখা যায়, দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ অভিশংসনের বিরোধিতা করেছিলেন। এমনকি ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা উল্টো পাঁচটি আসন বাড়িয়ে চমক দেয়, যা রিপাবলিকানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। প্রমাণ হয় যে, ক্লিনটনের প্রতি জনসমর্থন তখনও অটুট ছিল।

একটি গোপন সম্পর্ক থেকে শুরু হওয়া এই ঘটনা শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত নৈতিকতা, আইনের শাসন, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা, দলীয় রাজনীতি এবং অভিশংসনের সাংবিধানিক সীমানাকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল।