রাজধানীর রামপুরা এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ মো. আল-আমিন ওরফে পিচ্চি আল-আমিনসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, নয়টি গুলি এবং দুটি দেশি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআরবি প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১ অক্টোবর দুপুরে রামপুরার টিভি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিচ্চি আল-আমিন এবং তাঁর দুই সহযোগী কামাল উদ্দিন ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই অভিযানের সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও পাঁচটি গুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত পিচ্চি আল-আমিনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ওই দিন সন্ধ্যায় কুঞ্জবন এলাকায় পুনরায় অভিযান চালায় এসআরবি। সেখান থেকে দুটি দেশি ছুরিসহ সোহাগ হাওলাদার ওরফে মামুন এবং রিফাত ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, পিচ্চি আল-আমিনের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে ৩ অক্টোবর কুঞ্জবন এলাকা থেকে কাওছার খান নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খিলগাঁওয়ের ভূঁইয়াপাড়ায় শফিকের টিনশেড ঘরে তল্লাশি চালায় বাহিনীটি। সেখানে তল্লাশির পর একটি বিদেশি রিভলবার, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও নয়টি গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, পিচ্চি আল-আমিনের বিরুদ্ধে খিলগাঁও, রামপুরা, হাতিরঝিল ও গুলশান থানায় হত্যা, অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। এছাড়া তিনি আলোচিত ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
অন্যদিকে, ৩ অক্টোবর রাতে কেরানীগঞ্জের লাবনী পয়েন্ট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিক্রির জন্য মজুত রাখা ২১৬টি অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করেছে এসআরবি-২। এই ঘটনায় এস এম রবীন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া currently চলমান রয়েছে।