নোয়াখালী জেলা পুলিশ কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা দমনে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন থানায় এই অভিযানে মোট ১৭৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, আটক ১৭৩ জনের মধ্যে আগের মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে দুজন এবং ফৌজদারি মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন মাদকসেবী কিশোরকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
থানাভিত্তিক হিসাবে, সুধারাম মডেল থানায় ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আটজনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। হাতিয়া থানায় ৬৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে এবং পাঁচজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি ৬১ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২৫ জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক ২৯ জনের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি ২৫ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
চরজব্বর থানায় ১৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আটজনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার বলেন, "কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"