বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। সংগঠনটির দাবি, দেশের বর্তমান চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ এলপিজি আমদানি করা হয়েছে, তাই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার লোয়াবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত আগস্ট মাসে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বাজার নজরদারির বিষয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করেন কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করেন, তবে তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সরকার যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।

লোয়াব তাদের সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের অবিলম্বে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ ভোক্তার অধিকার রক্ষা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।