যুবদল নেতার দায়ের করা মামলায় নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ দলটির ২৫ নেতা-কর্মী কারাগারে গেছেন। আজ বুধবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক এস এম রাজিবুল হাসান তা নামঞ্জুর করে তাঁদের জেলহাজতে পাঠান।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হাসেম এবং জেলা পুলিশের মিডিয়ার দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে গত ২০ মে দুপুরে পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই দিন বেলা তিনটার দিকে আগিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি ওমর শরীফের ওপর প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

ওই ঘটনার পাঁচ দিন পর ওমর শরীফ বাদী হয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির জয়নাল আবেদিনকে প্রধান আসামি করে দলটির ৩৩ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে থানায় মামলা করেন। পরে আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে বুধবার দুপুরে ৩৩ জনের মধ্যে ২৫ জন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিনের আবেদন করেন। তখন বিচারক এস এম রাজিবুল হাসান জামিন না মঞ্জুর করে তাঁদের জেলহাজতে পাঠান।

আদালতের এমন নির্দেশনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা জামায়াতের আমির ছাদেক আহমেদ হারিছ। মুঠোফোনে মুক্তকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম বিচারক তাঁদের জামিন দেবেন, কিন্তু দেননি। ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং আশা করি, আদালতের কাছে আমাদের নেতা–কর্মীরা ন্যায় বিচার পাবেন।’