মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ মুক্তকণ্ঠের কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮১তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। এইবারের বিষয়টি ছিল — ‘শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের ভূমিকা’। উক্ত আয়োজন থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।
শিশুর মনস্তত্ত্ব ভেঙে পড়ার পেছনে সাধারণত কোন ধরনের পারিবারিক বা পরিবেশগত কারণগুলো দায়ী থাকে?
এর উত্তরে ডা. ফারজানা রহমান বলেন, শিশুদের মনোজগত অত্যন্ত নাজুক। তাদের শৈশব ও কৈশোরে পারিপার্শ্বিক পরিবেশের নেতিবাচক ঘটনাগুলো গভীর ক্ষত তৈরি করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কারণ হলো:
পারিবারিক অশান্তি ও বিচ্ছেদ: বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন, নিয়মিত ঝগড়া-বিবাদ কিংবা বিচ্ছেদ শিশুদের মনস্তত্ত্বে গভীর চাপ সৃষ্টি করে।
আবেগীয় অবহেলা : আজকাল অনেক শিশু অভিযোগ করে যে প্রয়োজনের সময় তারা বাবা-মাকে মানসিকভাবে কাছে পায় না। বাবা-মা হয়তো শারীরিকভাবে আছেন, কিন্তু তাদের সময় দিচ্ছেন না।
বুলিং ও বডি শেমিং: বিদ্যালয়ে বা বন্ধু মহলে শারীরিক গঠন, রূপ কিংবা পড়ার দক্ষতা নিয়ে উপহাস বা কটূক্তির (বুলিং) শিকার হওয়া।
সহিংসতা ও শারীরিক নির্যাতন: পরিবার বা বাইরে মারধর, গালিগালাজ বা ক্রমাগত মানসিক নির্যাতনের শিকার হলে শিশুর মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।