চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে কথোপকথন চালিয়ে যান। এর মধ্যে কিছু চ্যাট অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে, আবার কিছু তথ্য ভবিষ্যতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই সুবিধার কথা মাথায় রেখেই চ্যাটজিপিটি অপ্রয়োজনীয় চ্যাট মুছে ফেলার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথনগুলো আর্কাইভ করে রাখার সুযোগ দেয়। তবে চ্যাট মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে, কারণ একবার কোনো চ্যাট মুছে ফেললে তা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না।
ওপেনএআই-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোনো চ্যাট মুছে ফেললে তা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে সিস্টেম থেকেও সেই তথ্য স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা হয়। ফলে চ্যাটজিপিটির ইন্টারফেস বা ওপেনএআই সাপোর্টের মাধ্যমেও মুছে যাওয়া চ্যাট পুনরুদ্ধার করা যায় না। এমনকি 'ডিলিট অল চ্যাটস' অপশন ব্যবহার করে সব কথোপকথন মুছে ফেললেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজন হতে পারে এমন কথোপকথন মুছে না ফেলে আর্কাইভ করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মূল চ্যাট তালিকা থেকে কোনো কথোপকথন সরিয়ে রাখতে চাইলে আর্কাইভ অপশনটি ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট চ্যাটের পাশে থাকা তিনটি ডট অপশনে ক্লিক করে 'আর্কাইভ' নির্বাচন করলেই তা সংরক্ষিত হয়। আর্কাইভ করা চ্যাটগুলো দীর্ঘ সময় অ্যাকাউন্টে থাকে এবং প্রয়োজনে সেগুলোকে পুনরায় মূল তালিকায় ফিরিয়ে আনা যায়।
গুগল ড্রাইভ, জিমেইল বা ক্যালেন্ডারের মতো সংযুক্ত অ্যাপের তথ্য ব্যবহার করে কোনো কথোপকথন চালানো হলে, সেই চ্যাটটি মুছে ফেললে সংশ্লিষ্ট অ্যাপের তথ্যও চ্যাটজিপিটি অ্যাকাউন্ট থেকে মুছে যায়। তবে চ্যাটজিপিটি থেকে কোনো অ্যাপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে ওই অ্যাপের মূল তথ্য মুছে যায় না, ফলে সেই তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি কথোপকথনগুলো দেখা সম্ভব হয়।
আর্কাইভ করা চ্যাটগুলো দেখতে সেটিংসের 'ডেটা কন্ট্রোলস' থেকে 'আর্কাইভড চ্যাটস' বা 'ভিউ আর্কাইভড চ্যাটস' অপশনে যেতে হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় চ্যাটগুলো আনআর্কাইভ করে পুনরায় মূল তালিকায় আনা যায়। যদি আর্কাইভ করা চ্যাট খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে চ্যাটজিপিটি রিফ্রেশ করা অথবা অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করে পুনরায় লগইন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।