দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে (১৯) আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
মামলাটি করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা। এতে আসামি করা হয়েছে এমপি, তার স্ত্রী ও বাদীর শ্যালক ও এমপি গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ওবায়দুর রহমানকে।
এর আগে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।
তবে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে দাবি করে গাড়িচালক ওবায়দুর বলেছেন, ‘সংসদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।’
এর আগে রোববার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। তখন বাসায় থাকা নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একই সময়ে নিহত মরিয়মের বাবাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি মামলা করার পর এমপি ও তার প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে গাজী নজরুল ইসলাম তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চলতি বছরে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।
এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়। যদিও তার সংসদ সদস্য পদ এখনও বহাল আছে।