‘ছাত্র উপদেষ্টাদের ছোটলোকি ও সবাইকে ধারণ করতে না পারার কারণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিভেদ তৈরি হয়েছে। ছাত্র উপদেষ্টারা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে পারলে এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাইকে যথাযথ স্বীকৃতি দিলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।’

সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠের আলাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

তিনি বলেন, বর্তমানে যে বিভেদ তৈরি হয়েছে, এর জন্য সে সময়ের ছাত্র উপদেষ্টাদের অযাচিত মন্তব্য ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অপরিপক্ব আচরণ দায়ী। বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ছাত্র উপদেষ্টাদের বড় ভূমিকা ছিল। কিন্তু তারা সবাইকে ধারণ করতে পারেনি। ফলে একজন আরেকজনকে ব্লেমিং ও ফ্রেমিং করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোরও নিজস্ব অ্যাম্বিশন ছিল। বিএনপি দ্রুত নির্বাচন চেয়েছিল এবং বিপ্লবের পর তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেছিল। কিন্তু নির্বাচনের জন্য এত ছেলেরা রক্ত দেয়নি। তারা চেয়েছিল একটি নতুন কাঠামো ও নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে, যেখানে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠান যেন ভবিষ্যতে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে।

তিনি আরও বলেন, ইন্টারিম সরকারের উপদেষ্টারাও জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারেননি। তারা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন এবং একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেছেন।