নড়াইল সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মেরাজ আলী ওরফে মিরাজকে ১০ বছর বয়সি এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ ছামিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বকেরী (রুদ্রপুর) গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি নড়াইল সদর উপজেলার রঘুনাথপুর-বাদামতলা জামিয়া রহমানিয়া তাইসিরুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এজাহারে উল্লেখিত ঘটনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই ভোররাতে ওই মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সি এক শিশু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এরপর শিশুটির মা ১৩ জুলাই মেরাজ আলী ওরফে মিরাজকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার তদন্তে মোট ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আজিবুর রহমান আজিজ বলেন, "সাক্ষ্যগ্রহণ এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।"