আগামী ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ২০টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই ১৪তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-এ ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল সাজানো হবে। আয়োজকদের ধারণা, মেলায় ৬০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী উপস্থিত থাকতে পারেন।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এ মেলার আয়োজন করছে। সোমবার রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সভাপতিত্ব করেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) কামরুল ইসলামসহ টোয়াবের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ হানিফ জানান, এবারের মেলায় চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হবে। এতে এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরসহ পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। তার আশা, মেলায় ২৫০ জনের বেশি ক্রেতা এবং আড়াই হাজারের বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবেন।
মেলায় ২০টির বেশি দেশের পর্যটন প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণকারীরা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন। তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানের অংশীদারদের অংশগ্রহণের আশা করছেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের মতে, মেলায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি অন্যতম লক্ষ্য। এর মাধ্যমে নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি হবে এবং বাংলাদেশের পর্যটন প্রচারে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও এফবিসিসিআই মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করলে দেশে আরও বিদেশি পর্যটক বাড়বে। এই মেলা দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাত এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে ব্রুনেই, বাহরাইন ও দিল্লিসহ ১৬টি নতুন গন্তব্যে উড়ান চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় মো. আবুল বাসেত ও মো. মিজানুর রহমানও বক্তব্য দেন।