বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে চার জাহাজ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয় করবে সরকার। প্রতি এমএমবিটিউ (MMbtu) এর সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ দশমিক শূন্য ৩ মার্কিন ডলার।

আজ বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর, বিপি সিঙ্গাপুর এবং ভিটল এশিয়া। দরপত্রের তথ্য অনুযায়ী, আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিউ ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার এবং অন্যটির জন্য ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার দর দিয়েছে। বিপি সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য ২৮ দশমিক শূন্য ৩ ডলার এবং ভিটল এশিয়া আরেকটি জাহাজের জন্য ২৬ দশমিক ৬৬ ডলার দর প্রকাশ করেছে। জাহাজভেদে এলএনজির দরে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ক্রয়বিধিমালা অনুসারে আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে এসব এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। দেশে গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় পুরো উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আমদানিকৃত এলএনজি দিয়ে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে এলএনজির দাম বেড়েছে এবং সরবরাহও কঠিন হয়ে পড়েছে।