২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা কোটার যোগ্যতা যাচাইয়ে কড়াকড়ি করছে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) বোর্ডের পৃথক চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হতে হবে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ আবেদন করে এবং সিলেকশন পায়, তবুও সে কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে না। ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট গেজেট বা প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপি এবং মূল কপি দাখিল করতে হবে। প্রমাণপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার নাতি বা নাতনিরা এই কোটার আওতায় আসেন না।

এছাড়া ইকিউ-১ ও ইকিউ-২ (শিক্ষা কোটা-১ ও ২) কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ বাধ্যতামূলক। চিঠিতে উদ্ধৃত করা হয়েছে, ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৬’–এর উপধারা ৩.২ অনুযায়ী ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন আবেদনে ইকিউ–১, ইকিউ-২ (এডুকেশন কোটা–১, ২) কোটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা থাকতে হবে।

ইকিউ-১ কোটার জন্য আবেদনকারীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সন্তান হতে হবে। অন্যদিকে, ইকিউ-২ কোটায় আবেদনের শর্ত হলো, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ২৮টি দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান হওয়া। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি স্কুল, কলেজ, স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও শিক্ষা অফিসে কর্মরত শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানেরাও এই কোটার সুবিধা পাবেন। যোগ্যতা না রেখে আবেদন করলে সিলেকশন পেলেও ভর্তির সুযোগ পাওয়া যাবে না বলে চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।