নেত্রকোনার পূর্বধলায় এক নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার সময় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবুল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত নারী এক প্রবাসীর স্ত্রী। তিনি বাবুল মিয়ার কাছে আমগাছের লাকড়ি কিনেছিলেন। লাকড়ির টাকা পরিশোধ করতে গতকাল রাতে বাবুলের বাড়িতে যান তিনি। এ সময় একা পেয়ে বাবুল শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ওই সময়ে তাঁর গলায় ওড়না প্যাঁচানো হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
বিষয়টি আশপাশের লোকজন টের পেলে বাবুল দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তখনও ওই নারীর শ্বাসপ্রশ্বাস চলছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার শেষে চিকিৎসক মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক হারুন অর রশিদ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করার পর ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বাবুল মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল আল মামুন জানান, তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে।