নীলফামারীর ডোমার রেলওয়ে স্টেশনে শনিবার (২৯ আগস্ট) মধ্যরাতে আট বছরের মার্জান নামের এক শিশুকে একা ঘোরাফেরা করতে দেখা হয়। পরবর্তীতে তার পরিচয় নিশ্চিত করে রোববার সকালে তারাগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা বাবা শফিকুল ইসলামের কাছে শিশুটিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাত প্রায় ১১টার দিকে স্টেশনে শিশুটিকে একাকী দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিশুটির বাবার নাম শফিকুল ইসলাম এবং মায়ের নাম মর্জিনা। বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ওকড়াবাড়ি মাটিয়ালপাড়া এলাকায়। স্থানীয়দের ধারণা, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে শিশুটি ডোমার স্টেশনে নেমে পড়ে অথবা কোনোভাবে ট্রেনে করে এখানে এসে পৌঁছেছে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ভিড় জমান স্টেশনে।
শিশুটিকে পাওয়ার পর স্থানীয়রা জরুরী সেবা ৯৯৯ ও ডোমার থানাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেন। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে কেউ আগ্রহ দেখাননি। বিষয়টি নিয়ে ডোমার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার বাবু হোসেন বলেন, "আমরা চাইলে শিশুটিকে স্টেশনে রাখতে পারি না। এটি আমাদের দায়িত্বের আওতায় পড়ে না। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের। তবে গভীর রাতে রেলওয়ে পুলিশের কাছে শিশুটিকে পৌঁছে দেওয়া কঠিন।"
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ জানান, এ ধরনের বিষয় সমাজসেবা বিভাগের অধীনে পড়ে। তবে শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "রোববার সকালে তারাগঞ্জ থেকে ছেলেটির বাবা এসেছে। তার কাছে ছেলেটিকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।" এরপরই শিশুটিকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়.