বসুন্ধরা কিংসের ওপর থাকা সর্বশেষ ফিফা নিষেধাজ্ঞাগুলো শুক্রবার রাতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্লাবটির মোট ১৪টি নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি লাভ করেছে। ফলে নতুন মৌসুমের জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধন এবং দলবদলে আর কোনো বাধা থাকছে না।
গত বছরের আগস্টে সাবেক বিদেশি খেলোয়াড় ও কোচদের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ না করায় ফিফায় অভিযোগ জমা পড়ে। একের পর এক অভিযোগ যুক্ত হওয়ায় নিষেধাজ্ঞার সংখ্যা বেড়ে ১৪টিতে দাঁড়ায়। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ক্লাব লাইসেন্স পাওয়া এবং ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হতো, যা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।
সমস্যা সমাধানে ক্লাবটি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বকেয়া অর্থ পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফিফায় জমা দেয়। ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞাগুলো উঠে যাওয়ার পর শুক্রবার রাতে শেষ অবশিষ্ট নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার হয়। ফিফার আনুষ্ঠানিক তালিকা থেকেও কিংসের নাম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ক্লাব লাইসেন্স পাওয়ার সময়সীমা কয়েক দফা বাড়িয়েছিল। সর্বশেষ নির্ধারিত ছিল ২৮ আগস্ট, যা থেকে আরও চার দিন বাড়িয়ে ১ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। ঘরোয়া দলবদল শেষ হবে ৩ সেপ্টেম্বর। নিষেধাজ্ঞা তুলে যাওয়ায় এই সময়ের মধ্যেই ক্লাবটি নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারবে। তবে দীর্ঘদিন দলবদল থেকে দূরে থাকায় শক্তিশালী দল গড়ার জন্য হাতে সময় খুব বেশি নেই।
নিষেধাজ্ঞার কারণে ঘরোয়া মৌসুমের সূচিতে পরিবর্তন আসে। লিগ চ্যাম্পিয়ন কিংস ও রানার্সআপ আবাহনীর মধ্যকার চ্যালেঞ্জ কাপ বাতিল করা হয়। ফেডারেশন কাপ ও লিগের সূচিও কয়েক দফা পিছিয়ে যায়। বর্তমানে ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন লিগ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।
ফিফার তালিকায় বাংলাদেশের আরও চারটি ক্লাবের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের দুটি এবং ফেনী সকার ও ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের একটি করে। ফকিরেরপুলের ওপর আগে দুটি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও শুক্রবার একটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।