খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় টানা বৃষ্টির কারণে আবার বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ধারাবাহিক ভারী বৃষ্টিতে উপজেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। এছাড়াও কয়েকটি প্রধান সড়কে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতভর বৃষ্টির পর দীঘিনালা-মাইনী-লংগদু মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সময়ে বাগেরহাট-সাজেক ও কবাখালী সড়কের কিছু স্থানেও পানি উঠে আসায় যান চলাচলে তীব্র বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ দ্রুত সরকারি ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এরআগে গত শুক্রবার মধ্যরাতের বৃষ্টিতে চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি বাড়লে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়। দীঘিনালা-মেরুং সড়কে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ ছিল। আমনের ক্ষেতগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে অনেক পরিবার স্থানীয় স্কুল-কলেজগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, "বারবার বন্যার হাত থেকে দীঘিনালা উপজেলা বাসীদের রক্ষা পেতে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে দিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। বন্যায় যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"