বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাড়ির উঠানে খেলার সময় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুটির নাম আমেনা খাতুন (৭), সে স্থানীয় resident আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল তিনটার দিকে বাড়ির বাইরে অন্য শিশুদের সাথে খেলছিল আমেনা। এসময় হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ধারালো দা দিয়ে শিশুটিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন আবু হোসাইন (৩৫)। এরপর লাঠি দিয়েও শিশুটির শরীরে আঘাত করা হয়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত আবু হোসাইন ওই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত আবু হোসাইনকে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
আবু হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তবে স্থানীয়রা একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নন্দীগ্রাম থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, "আটক ব্যক্তি আসলেই মানসিক ভারসাম্যহীন কি না, তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। ঘটনার নেপথ্য কারণ জানতে তদন্ত চলছে। শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।"