লর্ডসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান দল মাত্র ৩৭.২ ওভারে ১১০ রানে থেমে গেছে। বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের এই দুর্দশার পেছনে প্রধান কারণ ইংল্যান্ডের পেসার ওলি রবিনসন। ৩২ বছর বয়সী এই বোলার ম্যাচে সর্বোচ্চ চার উইকেট নিলেও তার আসল সাফল্য এসেছে অসাধারণ ইকোনমি রেট দিয়ে।

১৩ ওভার বল করে ছয়টি মেডেন নিয়ে ১১ রান খরচ করেন রবিনসন। এর ফলে তার ইকোনমি রেট দাঁড়ায় ০.৮৪। চলতি শতাব্দীতে টেস্ট ক্রিকেটে ১০টির বেশি ওভার করে একের কম ইকোনমি ধরে রাখা এ পর্যন্ত মাত্র দশজন পেসার। রবিনসন সেই অভিজাত তালিকায় যুক্ত হলেন।

এই কীর্তি গড়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা, শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোরি কলিমোর ও জেডন সিলস, পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরসহ মোট নয়জন বোলার এ সমৃদ্ধিতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এক ওভারে এক রানের কম ইকোনমি দিয়ে সবচেয়ে অবিশ্বাস্য বোলিং ফিগার তৈরি করেছিলেন জেডন সিলস। ২০২৪ সালে কিংস্টনে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনি ১৫.৫ ওভার করে ১০টি মেডেনসহ মাত্র ৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তাঁর ইকোনমি ছিল মাত্র ০.৩১।

তালিকার পরবর্তী সেরা পারফরম্যান্সটিও বাংলাদেশের বিপক্ষেই দেখা গেছে। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ওরাম বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০ ওভার করে ১৪টি মেডেনসহ মাত্র ১৪ রান দিয়েছিলেন। কোনো উইকেট না পেলেও তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ০.৭০। আর ২০০০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের নাথান অ্যাস্টল ১১ ওভারে ৬ মেডেনসহ ৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। ইকোনমি ছিল ০.৮১। রবিনসনের আজকের ১৩-৬-১১-৪ ফিগার তাকে ঐ তালিকায় অ্যাস্টলের ঠিক পরপরই স্থান দিয়েছে।

এই তালিকায় গ্লেন ম্যাকগ্রার বোলিংও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০০০ সালে ব্রিসবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি ২০ ওভার করে ১২টি মেডেনসহ ১৭ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন। ইকোনমি রেট ছিল ০.৮৫।