সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুনে নিহত সাত প্রবাসীর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে তাদের শেষবিদায় জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সৌদি আরব থেকে দেশে আনা হয়। পরদিন রাতে দেড়টায় লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তারা আত্রাই উপজেলায় পৌঁছায়। জানাযায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাযা শেষে উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় মরদেহগুলো তাদের নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়।
নিহত সাতজন হলেন—আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ; গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক; একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী, সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন; ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
শুরুতে আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার কাজ চলমান রয়েছে।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে মরদেহগুলো বিনা খরচে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিচয় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাতজনের মরদেহ এসেছে।
ইউএনও আরও বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আত্রাই উপজেলা সদরের মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে সাতটি মরদেহের একত্রে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।