নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের একাধিক কূটনীতিক আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে আজ সকালে ফোনে আলোচনা করেন। এই সময় তিনি নেপাল সরকারের কাছে অনুরোধ জানান, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জানা গেলে দ্রুত বাংলাদেশকে অবহিত করতে হবে।
দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, নেপালের চলমান পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গতকাল সাময়িকভাবে কাঠমান্ডু-পোখারা মহাসড়ক বন্ধ থাকার কারণে কিছু বাংলাদেশি নাগরিক আটকা পড়লেও সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর তাঁরা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন। দূতাবাস নেপাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখেছে। বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করা যেকোনো মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া এবং উভয় দেশের মধ্যে প্রয়োজনীয় মতবিনিময় সমন্বয় করার দায়িত্বে রয়েছে দূতাবাস।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৭৭ জন মারা গেছেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, নেপাল ও তিব্বত অঞ্চলে মোট ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ৮০০ জনের বেশি বিদেশি পর্যটক।