নজরুলচর্চায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নজরুল পদকে ভূষিত হয়েছেন নজরুল-গবেষক ও কবি আবদুল হাই শিকদার এবং নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী। সোমবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৭তম নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য উপাচার্য আবদুল হাই শিকদারের হাতে পদক তুলে দেন। তবে অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি শবনম মুশতারী।

নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আন্তর্জাতিক নজরুল-বক্তৃতামালা, ‘নজরুল পদক ২০২৬’ প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই আয়োজনে নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত ‘গাহি সাম্যের গান’ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। আন্তর্জাতিক নজরুল-বক্তৃতামালায় চারটি অধিবেশনে মোট আটটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকের পাশাপাশি ভারতের নজরুল-গবেষকরা অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় কবির নামে হওয়ায় সকল ক্ষেত্রেই আলাদা সহযোগিতা পাচ্ছি। দেশের প্রায় ১৭০টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২০ বছরে একাডেমিক ও অবকাঠামো সবদিকেই অনেক উন্নতি করেছে। কবির জীবদ্দশায় কবিকে যথাযথ সম্মান দেখানো হয়নি। যার যতটুকু সম্মান প্রাপ্য, তাঁকে ততটুকু সম্মান দিতে হবে। তবে কবি নজরুলের সৃষ্টিকর্মের তেমন প্রচার হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “নজরুলের স্মৃতি ও অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশে নজরুল গবেষণার প্রাণকেন্দ্র হবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।”