বল দখল, আক্রমণ কিংবা গোলের সুযোগ—প্রায় সব দিক থেকেই এগিয়ে থাকলেও শেষ হাসি হাসল টরন্টো এফসি। লিওনেল মেসির গোলে ব্যবধান কমলেও ২-১ গোলের পরাজয় মেনে নিতে হলো ইন্টার মায়ামিকে।
বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। তারকাখচিত মায়ামির আক্রমণভাগ একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও টরন্টোর রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯ মিনিটে জশ সার্জেন্টের গোলে মায়ামিকে প্রথম ধাক্কা দেয় সফরকারীরা। এর তিন মিনিট পরেই ডেরিক এতিয়েন জুনিয়রের গোলে ব্যবধান ২-০ করে টরন্টো। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা মায়ামি চোখের পলকেই বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
ম্যাচের ৮২ মিনিটে স্বাগতিকদের আশা জাগান লিওনেল মেসি। রদ্রিগো দি পলের পাস থেকে প্রথম স্পর্শেই বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান এই আর্জেন্টাইন তারকা। এটি চলতি মৌসুমে তার ১৪তম গোল। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচেও গোল করেছিলেন তিনি। তবে শেষ মুহূর্তের চেষ্টা সত্ত্বেও সমতায় ফিরতে পারেনি মায়ামি।
পরিসংখ্যান মায়ামির আক্ষেপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচে তাদের বলের দখল ছিল ৬২ শতাংশ। টরন্টোর প্রত্যাশিত গোল ০.৫১-এর বিপরীতে মায়ামির ছিল ১.৮৩। তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা, যেখানে টরন্টোর কোনো বড় সুযোগ ছিল না। তবে দুই দলই লক্ষ্যে তিনটি করে শট রেখেছিল। সুযোগ কাজে লাগানোর এই পার্থক্যই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ফল।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ পাঁচ ম্যাচে এটি মায়ামির চতুর্থ হার। মাঝের ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে তিন ম্যাচের পরাজয়ের ধারা ভেঙেছিল তারা, তবে এবার জয়ের দেখা মেলেনি।
২১ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও মায়ামির সাম্প্রতিক ছন্দ এখন বড় চিন্তার কারণ। অন্যদিকে, টানা চার ম্যাচ অপরাজিত থাকা টরন্টো মায়ামির মাঠে সপ্তম সফরে তাদের প্রথম জয় পেল।