কাজের গতিশীলতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিসভায় রিশাফলিং প্রসঙ্গে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "প্রায় ছয় মাস আগে গঠিত মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য সংযোজন বা রিশাফলিং বিশ্বজুড়ে একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই পরিবর্তনের পেছনে সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি করা। বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো রয়েছে সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ ওয়াকিফহাল। এসব সমস্যা দূর করে দেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠ করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।"
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় ক্রান্তিকাল হিসেবে অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ আজ একটি দ্বিতীয় ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ যখন দিকনির্দেশনাহীন অবস্থায় পড়েছিল ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি দাবিদার দলটি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।"
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে বারবার গণতন্ত্র ব্যাহত হলেও বিএনপিই তা পুনরুদ্ধারে কাজ করেছে। ১৯৮২ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে আপসহীন আন্দোলন শুরু করেন ও ১৯৯১ সালে জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ড. মঈন খান আশা প্রকাশ করেন, সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সবশেষে প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়ে অহেতুক জল্পনা-কল্পনা পরিহার করে দেশের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।