চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ের মিমি সুপার মার্কেটের নিউ কনক বাহার জুয়েলার্সে ১৪ আগস্ট ঘটে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দোকানের কর্মচারী রোমেন দে (৩৬) সুযোগ বুঝে সোনার চুড়িগুলো সরিয়ে ইমিটেশনের চুড়ি রেখে দেন। পরে তিনি সোনার অলঙ্কারগুলো বিভিন্ন জুয়েলার্স ও ব্যবসায়ীর কাছে বন্ধক রেখে টাকা নেন। দোকানের মালিক বিপ্লব বসাক যখন বিষয়টি জানতে পারেন, তখন রোমেন দে ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, রোমেন দে প্রায় ১২ থেকে ১৩ বছর ধরে ওই জুয়েলার্সে কর্মরত ছিলেন। ১৪ আগস্ট দুপুরে কয়েকজন কর্মচারী সোনার হিসাব মেলাতে গিয়ে গরমিল দেখতে পান। পরে তারা মালিককে বিষয়টি জানান। পালানোর সময় রোমেন দে দোকান থেকে ৫৫টি সোনার চুড়ি নিয়ে যান, যার মোট ওজন ৯৯ ভরি ৪ আনা ৫ রত্তি।

পুলিশের অভিযানে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি এলাকায় এসব স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রোমেন দে সহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন শ্যামল সিংহ (৪৭), জয় দে ওরফে বাবু (২২), রনি দে (২৮), স্বপ্না দে (৫৫) ও ইমন দে (১৯)।

পাঁচলাইশ থানায় ১৫ আগস্ট মামলা দায়ের করেন বিপ্লব বসাক। মঙ্গলবার রাতে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট মহাসড়ক এলাকা থেকে রোমেন দেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, নিউ কনক বাহার জুয়েলার্স থেকে সোনার চুড়িগুলো সরিয়ে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়ীর কাছে বন্ধক রেখেছিলেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) সোহেল পারভেজ বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদে রোমেন দে জানান, নিউ কনক বাহার জুয়েলার্স থেকে সোনার চুড়িগুলো সরিয়ে তিনি কয়েকটি জুয়েলার্স ও বন্ধকি ব্যবসায়ীর কাছে রেখে টাকা নিয়েছেন।" এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।