নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) পরীক্ষা চলাকালীন তাদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ মোবাইল ফোন ও নকলের কাগজপত্র জব্দ করার পর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শৃঙ্খলা আইন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—এনভায়রনমেন্টাল টেকনোলজির ৮ম পর্বের শিক্ষার্থী মো. কায়সার উল আলম এবং সিভিল টেকনোলজির ৫ম পর্বের শিক্ষার্থী পি এম মুসা ইসলাম।

ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত দিনে দুপুর ২টায় ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন পর্বের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালে কক্ষ পরিদর্শকদের তল্লাশিতে কায়সার উল আলমের কাছে একটি স্মার্টফোন ও সুনির্দিষ্ট কিছু নকলের কাগজ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মুসা ইসলাম তার প্রবেশপত্রের (এডমিট কার্ড) পেছনে পরীক্ষার পড়া লিখে আনলে তা শিক্ষকদের নজরে আসে। অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের দুজনকেই পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আইন অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল কিংবা অননুমোদিত কাগজ রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বোর্ডের শৃঙ্খলা বিধির ১.৩ ধারা মোতাবেক এ ধরনের অপরাধে চলতি কিংবা সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিলের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. নাসিমুজ্জামান জানান, "পরীক্ষার নিয়ম অমান্য করায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিধান অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, কেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশ ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।