হবিগঞ্জে লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস–সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক অন্য দুজন হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সদস্য মীর্জা সুমন ও রকি আহমেদ।
.‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম’ বলে গত জানুয়ারিতে আলোচনায় আসেন মাহদী হাসান। ওই কথা বলার পর পুলিশ তাঁকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।
আজ বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা প্রস্তুতি নেয়। এ কর্মসূচি আয়োজনকালে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তাঁরা মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় সংগঠনটির নেতা–কর্মীরা প্রতিবাদ করতে চাইলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
.‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’.সংগঠনের আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘আজকের কর্মসূচিটি ছিল স্থানীয় ছাত্র–জনতার। এতে আমরা একাত্মতা পোষণ করে এই আন্দোলনে শরিক হই। পুলিশ মাহদী হাসানকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ আমাদের আশ্বস্ত করেছে আটক সবাইকে ছেড়ে দেবে। আমরা সেই অপেক্ষায় আছি।’
এ প্রতিবেদন লেখার সময় রাত আটটায় পর্যন্ত ওই তিনজন থানায় ছিলেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর হক বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশ এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁদের আটক করা হয়েছে।’
.‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলা সেই বৈষম্যবিরোধী নেতা আটক