কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই প্যান্টের কাপড় জব্দ করেছে থানা-পুলিশ। এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সীমান্ত চোরাকারবারির বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব কাপড় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালীন নাগেশ্বরী উপজেলার দয়াময়ী পাইলট স্কুল সংলগ্ন ফজলুর রহমানের (ফজলু চেয়ারম্যান) বাড়ি এবং মোমিনগঞ্জ এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে মোট ২৬৮ পিস থান কাপড় জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে এসব ভারতীয় কাপড় দেশে আনা হয়েছিল। এই অপরাধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, "কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় নাগেশ্বরীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি থানায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।"